নিয়মিত পর্যবেক্ষণ

ইনোভেশন, মনিটরিং, লার্নিং এবং কমিউনিকেশন বিভাগ মূলত পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন এবং যোগাযোগমূলক কাজের সাথে জড়িত। পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন সংক্রান্ত কাজের মধ্যে- সুবিধাভোগী পরিবার যাচাই; গ্রাহক সন্তুষ্টি জরিপ; দ্বিমাসিক ও বার্ষিক আর্থ-সামাজিক জরিপের মাধ্যমে সকল বর্তমান কার্যক্রম নিয়মিত পর্যবেক্ষণ; এবং গবেষণা সহ নানাবিধ কার্যক্রম অন্তর্ভূক্ত। এই সকল কার্যক্রমের ভিত্তিতেই সিএলপির সার্বিক কাজের উন্নয়ন ও চরে অধিবাসীদের উন্নতিতে সিএলপির প্রভাব পরিমাপ করা সম্ভব হয়। এছাড়াও উক্ত বিভাগ প্রকল্প থেকে অর্জিত শিক্ষা গ্রহণ এবং তা নথি আকারে সংরক্ষণ করে অপারেশন বিভাগকে এগুলো স¤পর্কে মতামত প্রদান করে। পর্যবেক্ষণ বিভাগ কিছু সংখ্যক সূচকের ভিত্তিতে সিএলপির কাজের মূল ক্ষেত্র যথা- বাজার ও জীবিকা; ওয়াস; নারীর ক্ষমতায়ন ; পুষ্টি; এবং খাদ্য নিরাপত্তা ইত্যাদির উপরে পর্যবেক্ষণমূলক তথ্য সংগ্রহ করে। পর্যবেক্ষণ নিয়ন্ত্রণ করার জন্য আইএমএলসি  মূলত ‘রোলিং বেসলাইন’ অথবা ‘পাইপলাইন কন্ট্রোল’ পদ্ধতি ব্যবহার করে থাকে।

গবেষণা

আইএমএলসি ইউনিট সারা বছর ধরেই উল্লেখযোগ্য সংখ্যক গবেষণা কাজ পরিচালনা করে। এই গবেষণাগুলো উর্দ্ধতন ব্যবস্থাপনা পরিষদকে ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত বিভিন্ন ধরণের বিষয় সম্পর্কে ধারণা নিতে এবং চরের পরিবারগুলোর উপর সিএলপির প্রভাব সম্পর্কে আরও ভাল ধারণা পেতে সাহায্য করে। গবেষণা প্রতিবেদনগুলোর ভিত্তিতে, প্রায়ই নতুন এবং উদ্ভাবনী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় যাতে চরের জনগোষ্ঠীর দরিদ্রতা দূরীকরণ প্রক্রিয়াকে আরও উন্নত করা যায়।

যোগাযোগ

সিএলপি এর ফেইসবুক, লিংকডইন, টুইটার এবং ফ্লিকার ইত্যাদি পেইজের মাধ্যমে নিয়মিত তথ্য সঞ্চালিত করে থাকে। প্রতি সপ্তাহে নতুন একটি মৌলিক বিষয়ের উপরে লিখিত বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করা হয় এবং“এই সপ্তাহের ছবি” শিরোনামে নতুন একটি ছবি প্রকাশ করা হয়। সিএলপির সংগ্রহে বৈচিত্রপূর্ণ যোগাযোগের উপকরণ আছে যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল: গ্লসি ও ব্রিফ যা সিএলপির মূল বিষয়গুলোকে তুলে ধরে এবং সাম্প্রতিক পর্যবেক্ষণ অথবা গবেষণা কাজের ফলাফল প্রকাশ করে; ব্লগ; অংশগ্রহণকারী পরিবারগুলোর উন্নতির ধারাবাহিকতা সংক্রান্ত বিবরণ; সংবাদ এবং কেস স্টাডি ইত্যাদি। এই কার্যক্রম সমূহের মূল লক্ষ্য হল সিএলপির কাজের বিবরণ ছড়িয়ে দেয়া, জ্ঞান বিনিময় বৃদ্ধি করা এবং  ফলাফলকে তুলে ধরা।

শিক্ষণীয় বিষয়

আইএমএলসি ইউনিট শিক্ষা কর্মকান্ডের অংশ হিসাবে বাহ্যিক ও অভ্যন্তরিন কর্মশালা ও সেমিনার আয়োজন করে, সেই সাথে অন্যান্য প্রতিষ্ঠান কর্তৃক আয়োজিত একই রকম অনুষ্ঠানেও অংশগ্রহণ করে। এটি দাতাদের, সংশ্লিষ্ট অংশীদারদের, উন্নয়নের সাথে সংশ্লিষ্ট পেশাজীবি ও অন্যান্য আগ্রহী গোষ্ঠীর সাথে সিএলপির ফলাফল বিনিময়, মতামত গ্রহণ এবং সংলাপের ক্ষেত্র তৈরি করে। অন্যান্য প্রতিষ্ঠান কিভাবে ভিন্ন পরিবেশে কাজ করে তা বুঝতে এবং বিভাগে উদ্ভাবনী সংযোজনের উদ্দেশ্য নিয়ে সিএলপি অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে পরিদর্শনেও যায়।

3,265 total views, 1 views today